কাজের চাপ নাকি অবমূল্যায়ন? টক্সিক অফিস পরিবেশ এবং আমাদের ‘Self-Worth’
Does your workplace make you question your abilities or feel like you are never good enough? Learn how toxic office behavior can affect self-worth, confidence, boundaries, and mental well-being.

Mohammad Abdullah
Assistant Clinical Psychologist

বসের কোনো ইমেইল বা মেসেজের নোটিফিকেশন দেখলেই কি বুকের ভেতরটা ধক করে ওঠে? মনে হয়, “আজ আবার কী মানসিক অবমূল্যায়ন সহ্য করতে হবে?”
আমাদের কর্মক্ষেত্রে অনেক সময় ভালো পারফরম্যান্স বা কোম্পানির উন্নতির দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হয়। ম্যানেজমেন্ট হয়তো কেবল তাদের ব্যবসায়িক সফলতার কথাই ভাবে। কিন্তু উদ্দেশ্য যাই হোক, একটি টক্সিক ওয়ার্ক কালচার (Toxic Work Culture) ধীরে ধীরে আমাদের confidence, self-worth এবং মানসিক শান্তিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়।
Key Takeaways
- অফিসে বারবার ছোট করা হলে একসময় নিজের কাজ নিয়েই সন্দেহ হতে পারে, কিন্তু তার মানে এই না যে আপনি সত্যিই অযোগ্য।
- ছুটির দিনেও যদি অফিসের কাজ মাথা থেকে নামতেই না চায়, তাহলে নিজের সময়ের একটা সীমা টানা দরকার।
- অন্যের খারাপ ব্যবহার বা অফিসের রাজনীতি নিজের ওপর নিয়ে বসলে মানসিক চাপ আরও বেড়ে যায়।
- কাজের জায়গায় যা হচ্ছে, সেটার কারণে নিজের মূল্য কম মনে করার দরকার নেই।
- অফিসের চাপ যদি ঘুম, মেজাজ বা ব্যক্তিগত জীবনেও প্রভাব ফেলতে থাকে, তাহলে কাউন্সেলরের সঙ্গে কথা বলা সাহায্য করতে পারে।
এই আতঙ্ক এবং আত্মবিশ্বাসের অভাব কীভাবে তৈরি হয়?
এই যে সারাক্ষণ অফিসের কথা ভেবে আতঙ্কিত থাকা বা নিজের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ করা, এটা একদিনে তৈরি হয় না। এর পেছনে থাকে প্রতিদিনের কিছু নির্দিষ্ট মনস্তাত্ত্বিক কারণ ও কর্মক্ষেত্রের বিষাক্ত আচরণ:
অনবরত অবমূল্যায়ন ও স্বীকৃতির অভাব: আপনি যতই দিনরাত এক করে কাজ করুন না কেন, ছোট ছোট ভুলগুলোকে বড় করে দেখা এবং কখনো আপনার অর্জনের recognition না দেওয়া। বারবার এমন হতে থাকলে মনে হতে শুরু করে, “আমি যতই করি, সেটা যেন যথেষ্ট না।”
ব্যক্তিগত বাউন্ডারির অভাব: ছুটির দিনে বা অফিস টাইমের পরেও অনবরত কাজের জন্য তাগাদা দেওয়া। এর ফলে আমাদের মস্তিষ্ক কখনোই পুরোপুরি রিল্যাক্স হওয়ার সুযোগ পায় না এবং তীব্র 'Burnout' বা দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়।
কর্মক্ষেত্রের নোংরা রাজনীতি ও গসিপ: যেখানে সুস্থ সহযোগিতার বদলে একে অপরকে টেনে নিচে নামানোর নোংরা প্রতিযোগিতা চলে। এমন একটি বিষাক্ত পরিবেশে নিজেকে সবসময় একাকী, असहায় এবং অনিরাপদ মনে হয়।
আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এর ক্ষতিকর প্রভাব
এর ফলে আমরা শুধু কর্মক্ষেত্রেই নয়, আমাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনেও হাসিখুশি থাকতে ভুলে যাই। সারাক্ষণ এক ধরণের খিটখিটে মেজাজ, অনিদ্রা, ডিপ্রেশন এবং অস্থিরতা আমাদের তাড়া করে বেড়ায়। আমরা নিজের অজান্তেই অন্যের অন্যায় আচরণের প্রভাব নিজের ওপর নিতে শুরু করি এবং নিজেকেই অযোগ্য ভাবতে থাকি।
থেরাপি এবং সঠিক গাইডেন্স কীভাবে সাহায্য করতে পারে?
এই ধরনের টক্সিক ওয়ার্ক কালচারের চাপ, অ্যাংজাইটি বা কর্মক্ষেত্রের ট্রমা কাটাতে Stress Management এবং CBT (Cognitive Behavioral Therapy) খুব helpful হতে পারে। থেরাপি সেশন আপনাকে প্রফেশনাল গাইডেন্সের মাধ্যমে শেখাবে:
কাজের জায়গায় কীভাবে একটি সুস্থ ও দৃঢ় 'Work-Life Boundary' তৈরি করতে হয়।
প্রফেশনাল সমালোচনা বা চারপাশের বিষাক্ত আচরণকে ব্যক্তিগতভাবে না নিয়ে কীভাবে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে সুরক্ষিত রাখতে হয়।
কর্মক্ষেত্রের নেতিবাচকতা কাটিয়ে হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস এবং নিজের প্রতি বিশ্বাস কীভাবে আবার ফিরিয়ে আনতে হয়।
আপনিও যদি অফিসের বিষাক্ত পরিবেশ, কাজের অতিরিক্ত চাপ বা Burnout নিয়ে struggle করে থাকেন, তবে নিজের মানসিক শান্তিকে বিসর্জন দেবেন না। সঠিক পেশাদার নির্দেশনার জন্য আজই যোগাযোগ করুন Relaxy-তে।
কল সেশন বা চ্যাট সেশন বুক করতে আজই ডাউনলোড করুন Relaxy অ্যাপ, অথবা ভিজিট করুন আমাদের Relaxy ওয়েবসাইট।
Did you find this article helpful?

Mohammad Abdullah
Assistant Clinical Psychologist
Mohammad Abdullah is an Assistant Clinical Psychologist with a warm, grounded presence and a strong commitment to compassionate mental health care for adults. With growing expertise in CBT, person-centred approaches, and culturally sensitive practice, he helps individuals understand their emotions in simple, relatable language. His work blends clinical skill with empathy, creating a safe, supportive space where adults feel understood and gently guided toward healing.