আপনার Partner-এর মধ্যে Narcissistic Traits আছে কি না, কীভাবে বুঝবেন?
Wondering if your partner shows narcissistic traits? Learn which repeated behaviors to notice, how they may affect your self-worth and boundaries, and when your emotional safety needs more attention.

Mohammad Abdullah
Assistant Clinical Psychologist

Key Takeaways
- Partner selfish বা controlling হলেই তাকে narcissist বলা ঠিক না। বরং একই ধরনের আচরণ বারবার হচ্ছে কি না, সেটা দেখা বেশি জরুরি।
- নিজের feelings বললেই যদি উল্টো আপনাকেই দোষ দেওয়া হয়, তাহলে সেই patternটা হালকাভাবে নেওয়ার দরকার নেই।
- আপনি “না” বলার পরও যদি আপনার boundary বারবার ভাঙা হয়, সেটা relationship-এর জন্য healthy sign না।
- একটা relationship-এ থাকতে থাকতে যদি নিজের judgement, feelings বা worth নিয়েই সন্দেহ হতে শুরু করে, তাহলে বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।
- Partner বদলাবে কি না সেটা আপনার হাতে নেই। নিজের boundary, mental well-being আর safety রক্ষা করাটাই আগে।
- Relationship-এ fear, control, threat বা abuse থাকলে শুধু communication improve করার চেষ্টা না করে professional support নেওয়া বেশি জরুরি হতে পারে।
Relationship-এর শুরুতে সবকিছু বেশ স্বাভাবিকই লাগতে পারে। আপনার partner আপনাকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছেন, আপনার কথা শুনছেন, আপনাকে special feel করাচ্ছেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে হয়তো লক্ষ্য করছেন, সম্পর্কের প্রায় প্রতিটি disagreement-এর শেষে somehow আপনাকেই guilty feel করতে হচ্ছে।
আপনি কষ্টের কথা বলতে গেলেন, কিন্তু কথা শেষ হলো আপনার ভুল নিয়ে। কোনো আচরণে আপনি hurt হয়েছেন বললেন, কিন্তু উল্টো শুনলেন, “তুমি সবকিছু বেশি ভাবো”, “তোমারই problem”, কিংবা “আমি তো এমন কিছুই করিনি।” ধীরে ধীরে একটা সময় নিজের মনেই প্রশ্ন আসতে পারে, “আমি কি আসলেই বেশি sensitive?” “হয়তো আমিই সবকিছু ভুল বুঝছি?” “সব দোষ কি আসলেই আমার?”
এমন অভিজ্ঞতার মধ্যে থাকলে অনেকের মাথায় একটি শব্দ আসে, “narcissist”। কিন্তু এখানে একটু সতর্ক হওয়া জরুরি। কেউ selfish, controlling, insensitive বা নিজের কথা বেশি ভাবেন বলেই তাকে সরাসরি “narcissist” বলা ঠিক নয়। Narcissistic Personality Disorder (NPD) একটি clinical diagnosis, যা trained mental health professional-রা নির্দিষ্ট assessment-এর মাধ্যমে নির্ধারণ করেন। তবে কিছু narcissistic traits বা আচরণের pattern সম্পর্কে আমরা সচেতন থাকতে পারি। কারণ কোনো relationship-এ একটি label দেওয়ার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, সেই relationship-এ আপনি কেমন অনুভব করছেন এবং আপনার সঙ্গে কী ধরনের আচরণ হচ্ছে।
Narcissistic Traits বলতে কী বোঝায়?
সহজভাবে বললে, narcissistic traits এমন কিছু আচরণ বা চিন্তার pattern, যেখানে একজন ব্যক্তি নিজের প্রয়োজন, নিজের গুরুত্ব বা নিজের perspective-কে অন্য মানুষের তুলনায় অনেক বেশি priority দিতে পারেন। তার মধ্যে অতিরিক্ত admiration পাওয়ার প্রয়োজন থাকতে পারে, criticism সহ্য করতে সমস্যা হতে পারে, আবার অন্য মানুষের feelings বুঝতে বা গুরুত্ব দিতে অসুবিধাও দেখা যেতে পারে। তবে আমাদের প্রায় সবার মধ্যেই কোনো না কোনো সময় কিছু self-centered behaviour দেখা যেতে পারে। কাজেই একটি বা দুটি ঘটনা দেখে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের pattern হচ্ছে কি না, সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
কোন কোন আচরণ আপনার খেয়াল করা উচিত?
সবকিছু কি তার প্রয়োজনকে ঘিরে?
একটি healthy relationship-এ দুইজনেরই প্রয়োজন, পছন্দ এবং অনুভূতির জায়গা থাকে। কিন্তু আপনার relationship-এ কি প্রায় সব decision partner-এর convenience অনুযায়ী হয়? আপনি কোথায় যাবেন, কার সঙ্গে দেখা করবেন, কখন কথা বলবেন বা ছুটির দিন কীভাবে কাটাবেন, সবকিছুতেই কি তার মতামতটাই শেষ কথা হয়ে যায়?
নিজের কোনো প্রয়োজনের কথা বললে যদি বারবার মনে হয় সেটিকে “unimportant” বা “unnecessary” হিসেবে দেখা হচ্ছে, তাহলে সেটি খেয়াল করার মতো বিষয়।
আপনার feelings বললে কি উল্টো আপনাকেই blame করা হয়?
ধরুন, আপনি বললেন, “কাল তুমি যেভাবে কথা বলেছিলে, তাতে আমার খুব খারাপ লেগেছে।” তার উত্তর হলো, “তুমি আমাকে রাগিয়েছিলে বলেই আমি এমন বলেছি”, কিংবা “সবকিছুতেই তোমার এত সমস্যা কেন?” এখানে আপনার কষ্টের কারণটি নিয়ে কথা হওয়ার বদলে focus চলে গেল আপনার ওপর। Relationship-এ disagreement হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু আপনার feelings বলার প্রতিবারই যদি conversation এমন জায়গায় যায় যেখানে শেষে আপনাকেই নিজের অনুভূতির জন্য guilty মনে হয়, তাহলে সেই pattern-টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।
ভুল স্বীকার করা কি তার জন্য খুব কঠিন?
কোনো সম্পর্কেই কেউ সবসময় ঠিক নয়। একটি healthy relationship-এ মানুষ ভুল করলে বলতে পারে, “হ্যাঁ, এখানে আমি ভুল করেছি” কিংবা “আমার কথায় তোমার খারাপ লেগেছে, সেটা বুঝতে পারছি।” কিন্তু কিছু মানুষের জন্য নিজের ভুল স্বীকার করা খুব কঠিন হতে পারে। তখন তারা ঘটনা অন্যভাবে explain করতে পারেন, আপনার কথাকেই প্রশ্ন করতে পারেন, পুরোনো ভুল তুলে আনতে পারেন, কিংবা পুরো conversation এমনভাবে ঘুরিয়ে দিতে পারেন যে শেষে আপনারই মনে হতে পারে, “হয়তো দোষটা আসলে আমারই ছিল।”
একবার এমন হওয়া আর নিয়মিত এমন হওয়া এক জিনিস নয়। তাই isolated incident-এর চেয়ে repeated pattern-এর দিকে নজর দেওয়া বেশি জরুরি।
আপনার Boundaries কি বারবার Ignore করা হয়?
Boundary মানে কাউকে control করা নয়। Boundary হলো আপনি কোন আচরণ accept করবেন এবং কোন আচরণ করবেন না, সেটা পরিষ্কারভাবে জানানো। ধরুন, আপনি বলেছেন, “আমি চাই না তুমি আমার permission ছাড়া phone check করো”, অথবা “রাগের সময় আমাকে insult করলে আমি conversation থেকে বের হয়ে যাব।” কিন্তু আপনার partner কি একই boundary বারবার ভাঙছেন? আপনি “না” বললে কি তিনি সেটিকে গুরুত্ব দেন, নাকি guilt, pressure, anger বা emotionally দূরে সরে যাওয়ার মাধ্যমে আপনাকে মত পরিবর্তন করানোর চেষ্টা করেন?
একটি relationship কতটা healthy, তার বড় একটি indication হলো, দুইজন একে অপরের boundary কতটা respect করেন।
কখনো খুব Special, আবার কখনো খুব ছোট মনে করানো
কিছু relationship-এ একটি confusing pattern দেখা যেতে পারে। একসময় partner আপনাকে খুব special feel করাচ্ছেন, অনেক attention, affection বা praise দিচ্ছেন। আবার কিছুদিন পর একই মানুষ আপনাকে repeatedly criticize করছেন, আপনার confidence কমিয়ে দিচ্ছেন অথবা emotionally দূরে সরে যাচ্ছেন। তারপর আবার relationship ভালো হয়ে যাচ্ছে। এই ওঠানামা এতটাই confusing হতে পারে যে আপনি বারবার ভাবতে পারেন, “ও তো সবসময় এমন না। ওর একটা খুব ভালো side-ও আছে।” এটা সত্যিও হতে পারে। একজন মানুষের ভালো দিক থাকা এবং একই সঙ্গে কিছু harmful behaviour করা, দুটো একসঙ্গে সম্ভব।
তাই শুধু ভালো সময়গুলোর দিকে না তাকিয়ে পুরো relationship-এর pattern দেখাটা জরুরি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন: এই Relationship-এ আপনি কেমন আছেন?
কেউ narcissist কি না, সেটি জানার চেষ্টায় আমরা অনেক সময় আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন ভুলে যাই, এই relationship আপনার ওপর কী প্রভাব ফেলছে?
আপনি কি আগের তুলনায় নিজের ওপর কম বিশ্বাস করছেন? কথা বলার আগে বারবার ভাবছেন, “এটা বললে আবার কী হবে?” নিজের feelings explain করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন? বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ কমে গেছে? Partner upset হবে বলে নিজের প্রয়োজন, পোশাক, কাজ, বন্ধুত্ব বা সিদ্ধান্ত বারবার বদলে ফেলছেন? এমনকি নিজের memory বা judgment নিয়েও কি সন্দেহ হতে শুরু করেছে?
যদি একটি relationship ধীরে ধীরে আপনার self-esteem, independence বা emotional well-being কমিয়ে দেয়, তাহলে সেই impact-টাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন, partner-এর কোনো diagnosis থাকুক বা না থাকুক।
এমন Relationship-এ কী করবেন?
Partner-কে পরিবর্তন করার দায়িত্ব থেকে দূরে থাকুন
আমরা যখন কাউকে ভালোবাসি, তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে হয়, “আরেকটু বুঝিয়ে বললে হয়তো বুঝবে”, “আমি একটু বেশি patient হলে হয়তো change করবে”, কিংবা “ওর past-এর জন্যই এমন হচ্ছে, আমি পাশে থাকলে ঠিক হয়ে যাবে।” কারও difficult behaviour-এর পেছনে কারণ থাকতে পারে। কিন্তু সেই কারণ বোঝা আর সেই behaviour সহ্য করার দায়িত্ব নেওয়া এক বিষয় নয়। আপনি কাউকে support করতে পারেন, কিন্তু কাউকে জোর করে self-aware বা emotionally responsible বানাতে পারবেন না। তার behaviour সে পরিবর্তন করবে কি না, সেটি তার দায়িত্ব। আপনার দায়িত্ব হলো নিজের emotional এবং physical well-being রক্ষা করা।
Clear Boundary তৈরি করুন
Boundary যত vague হবে, সেটি maintain করাও তত কঠিন হবে। “আমার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলো”, এর চেয়ে বলা যায়, “আমার সঙ্গে চিৎকার করে কথা বললে আমি এই conversation continue করব না।” অথবা, “আমাকে insult করা হলে আমি discussion বন্ধ করে দেব এবং পরে কথা বলব।” Boundary-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো consistency। আপনি যদি repeatedly বলেন, “এটা করলে আমি conversation বন্ধ করব”, কিন্তু প্রতিবারই conversation চালিয়ে যান, তাহলে boundaryটি কার্যকর থাকে না। Boundary মানে কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়; বরং নিজের limits সম্পর্কে পরিষ্কার এবং consistent থাকা।
নিজের Reality নিয়ে সন্দেহ হলে ঘটনাগুলো লিখে রাখুন
Repeated conflict-এর মধ্যে থাকতে থাকতে কখনো নিজের memory নিয়েও doubt তৈরি হতে পারে। “ও কি সত্যিই এটা বলেছিল?”, “আমি কি একটু বাড়িয়ে ভাবছি?”, “ঘটনাটা কি আসলে অন্যরকম ছিল?”, এমন প্রশ্ন বারবার মাথায় আসতে পারে। এমন হলে important ঘটনাগুলো ছোট করে লিখে রাখা helpful হতে পারে। কী হয়েছিল, কী বলা হয়েছিল এবং আপনি কী অনুভব করেছিলেন, এসব note করে রাখতে পারেন। এটা partner-এর বিরুদ্ধে evidence বানানোর জন্য নয়, বরং নিজের experience সম্পর্কে clarity ধরে রাখার জন্য। একই সঙ্গে trusted বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা mental health professional-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখাও আপনাকে emotionally grounded থাকতে সাহায্য করতে পারে।
Relationship-এর বাইরে নিজের জীবনটাও ধরে রাখুন
Unhealthy relationship-এর মধ্যে থাকতে থাকতে অনেক সময় পুরো জীবনটাই partner-কেন্দ্রিক হয়ে যেতে পারে। Partner-এর mood কেমন, আজ সে upset কি না, কী করলে conflict হবে না, এসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে নিজের পৃথিবীটা ছোট হয়ে আসে। তাই যতটা সম্ভব নিজের বন্ধুত্ব, পরিবার, কাজ, পড়াশোনা, hobby, ঘুম, physical health এবং personal time বজায় রাখার চেষ্টা করুন। কারণ আপনার relationship আপনার জীবনের একটি অংশ, পুরো পরিচয় নয়।
Partner-কে “Manage” করা মানে Manipulate করা নয়
অনেকেই জানতে চান, “Narcissistic partner-কে কীভাবে manage করব?” Healthy management মানে psychological trick ব্যবহার করে partner-কে control করা নয়। বরং তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ, clear communication, consistent boundaries এবং নিজের response-এর ওপর control। আপনি নিজের কথা পরিষ্কারভাবে বলবেন, কোন behaviour accept করবেন না সেটা জানাবেন এবং নিজের boundary যতটা সম্ভব consistently maintain করবেন। কিন্তু partner কীভাবে react করবেন, সেটি পুরোপুরি আপনার control-এ থাকবে না।
Therapy কি সাহায্য করতে পারে?
যদি আপনার partner নিজের আচরণ নিয়ে ভাবতে willing হন এবং relationship improve করার genuine intention থাকে, তাহলে individual psychotherapy helpful হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে couple therapy-ও communication এবং relationship pattern বুঝতে সাহায্য করতে পারে।
তবে relationship-এ যদি intimidation, threat, severe control, isolation বা abuse থাকে, সেখানে শুধু “communication improve” করাই মূল সমাধান নয়। এমন পরিস্থিতিতে নিজের safety এবং individual professional support বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
যদি Relationship-এ Abuse থাকে?
Relationship difficult হওয়া আর abusive হওয়া এক জিনিস নয়। যদি আপনার partner নিয়মিত আপনাকে ভয় দেখান, অপমান করেন, টাকা বা চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করেন, বন্ধু বা পরিবার থেকে দূরে রাখেন, threat দেন, phone বা communication monitor করেন, physical violence করেন কিংবা কোনো ধরনের sexual coercion করেন, তাহলে প্রশ্নটা আর শুধু “আমার partner narcissistic কি না” থাকে না।
তখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়, “আমি কি এই relationship-এর মধ্যে নিরাপদ?”
এমন অবস্থায় একা সবকিছু manage করার চেষ্টা না করে trusted মানুষ এবং প্রয়োজন হলে professional support-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার relationship নিয়ে যদি বারবার confusion, emotional exhaustion বা self-doubt তৈরি হয়, তাহলে একা সবকিছু বুঝে ওঠার চেষ্টা করতে হবে না। Relaxy-এর অভিজ্ঞ counsellor বা psychologist-এর সঙ্গে চ্যাট সেশন বা কল সেশন বুক করে relationship-এর ঘটনাগুলো, নিজের অনুভূতি এবং boundaries নিয়ে নিরাপদ পরিবেশে কথা বলতে পারেন।
কারণ কখনো কখনো partner-কে বোঝার চেয়েও বেশি জরুরি হয়ে ওঠে, এই relationship-এর মধ্যে নিজেকে আবার বুঝতে শেখা।
Did you find this article helpful?

Mohammad Abdullah
Assistant Clinical Psychologist
Mohammad Abdullah is an Assistant Clinical Psychologist with a warm, grounded presence and a strong commitment to compassionate mental health care for adults. With growing expertise in CBT, person-centred approaches, and culturally sensitive practice, he helps individuals understand their emotions in simple, relatable language. His work blends clinical skill with empathy, creating a safe, supportive space where adults feel understood and gently guided toward healing.