Home/Blogs/মানসিক সুস্থতায় ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স-এর ভূমিকা
Mental Health
0 views

মানসিক সুস্থতায় ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স-এর ভূমিকা

Understanding and managing your own emotions while showing empathy toward others are important aspects of Emotional Intelligence. Learn about its role in mental well-being, relationships, stress management, and professional life.

Saima Islam

Saima Islam

Assistant Clinical Psychologist

Rating4.95
2+ years exp.
মানসিক সুস্থতায় ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স-এর ভূমিকা

আমরা অনেকেই নিজের বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা কিংবা কাজের পারফরম্যান্স নিয়ে সচেতন। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতার দিকে তুলনামূলকভাবে কম নজর দিই, নিজের আবেগ বোঝা এবং সেই আবেগকে স্বাস্থ্যকরভাবে সামলানোর ক্ষমতা। এই দক্ষতার সঙ্গেই জড়িত Emotional Intelligence বা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স (EI)।

ধরুন, অফিসে কারও একটি মন্তব্যে আপনার খুব রাগ হলো। রাগের মুহূর্তে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া না দিয়ে আপনি যদি বুঝতে পারেন, “আমি রেগে গেছি, কারণ কথাটি আমার কাছে অসম্মানজনক মনে হয়েছে”, এবং তারপর পরিস্থিতি অনুযায়ী শান্তভাবে নিজের কথা প্রকাশ করতে পারেন, তাহলে আপনি শুধু একটি conflict এড়িয়ে গেলেন না; বরং নিজের আবেগকে চিনতে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেন।

ঠিক এই জায়গাতেই ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

Key Takeaways

  • Emotional Intelligence আমাদের নিজের আবেগ চিনতে, বুঝতে এবং স্বাস্থ্যকরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
  • আবেগ নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা stress, impulsive reaction এবং interpersonal conflict সামলাতে সহায়ক হতে পারে।
  • Empathy বা অন্যের অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা সম্পর্ককে আরও নিরাপদ ও অর্থবহ করতে পারে।
  • Emotional Intelligence মানে আবেগ দমন করা নয়; বরং আবেগকে বুঝে উপযুক্তভাবে respond করা।
  • EI উন্নত করা সম্ভব, self-awareness, reflection, active listening এবং healthy communication-এর নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে।
  • Emotional Intelligence মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বিকল্প নয়। দীর্ঘদিন মানসিক কষ্ট থাকলে পেশাদার সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ।

Emotional Intelligence বা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স কী?

সহজ ভাষায়, Emotional Intelligence হলো নিজের এবং অন্য মানুষের আবেগকে শনাক্ত করা, বুঝতে পারা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সেই আবেগকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করার দক্ষতা।

আমরা প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের emotion অনুভব করি, আনন্দ, দুঃখ, রাগ, ভয়, হতাশা, অপরাধবোধ, ঈর্ষা, অস্বস্তি কিংবা উত্তেজনা। এই আবেগগুলো মানুষের স্বাভাবিক অভিজ্ঞতার অংশ।

সমস্যা আবেগ থাকার মধ্যে নয়। সমস্যা তৈরি হতে পারে যখন আমরা, 

  • নিজের আবেগ বুঝতে পারি না,
  • আবেগের কারণে impulsively react করি,
  • দীর্ঘদিন অনুভূতি চেপে রাখি,
  • অথবা নিজের আবেগের দায় অন্য মানুষের ওপর চাপিয়ে দিই।

Emotional Intelligence আমাদের শেখায়, 

“আমি কী অনুভব করছি?” → “কেন এমন অনুভব করছি?” → “এখন কীভাবে স্বাস্থ্যকরভাবে respond করতে পারি?”

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। React করা এবং Respond করা এক বিষয় নয়। Reaction অনেক সময় মুহূর্তের আবেগ থেকে আসে, কিন্তু response আসে আবেগটি বুঝে সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে।

Emotional Intelligence-এর গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো

Emotional Intelligence-এর ধারণাকে বিভিন্ন গবেষক বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তবে সাধারণভাবে কয়েকটি দক্ষতা এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

১. Self-Awareness ,  নিজের আবেগ সম্পর্কে সচেতনতা

Emotional Intelligence-এর প্রথম ধাপ হলো নিজের ভেতরে কী চলছে, সেটি ধরতে পারা।

অনেক সময় আমরা বলি, “আজকে কিছুই ভালো লাগছে না।”

কিন্তু একটু গভীরভাবে দেখলে হয়তো বোঝা যায়, “আমি আসলে হতাশ।” অথবা, “আমি চিন্তিত, কারণ আগামীকালের presentation নিয়ে uncertainty অনুভব করছি।”

নিজের emotion-এর সঠিক নাম দিতে পারলে সেটি সামলানো তুলনামূলক সহজ হয়।

Self-awareness আমাদের বুঝতে সাহায্য করে, আমি কোন পরিস্থিতিতে বেশি stressed হয়ে যাই? কোন ধরনের কথা আমাকে সহজে trigger করে? রাগের পেছনে কি আসলে কষ্ট আছে? আমি ক্লান্ত, নাকি সত্যিই কাজটির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি?

নিজের emotion সম্পর্কে যত স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়, নিজের behavior নিয়ন্ত্রণ করাও তত সহজ হতে পারে।

২. Emotional Regulation; আবেগকে স্বাস্থ্যকরভাবে সামলানো

Emotional Intelligence মানে কখনোই সব সময় calm থাকা নয়। emotionally intelligent একজন মানুষও রাগ করেন, দুঃখ পান, হতাশ হন কিংবা ভয় পান। পার্থক্য হলো, তিনি আবেগটিকে নিজের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিতে না দিয়ে সেটি বুঝে সামলানোর চেষ্টা করেন।

উদাহরণ হিসেবে ধরুন, কারও সঙ্গে তর্কের সময় প্রচণ্ড রাগ হলো।

একটি impulsive reaction হতে পারে,  “তুমি সব সময় এমন করো!”

কিন্তু emotional regulation থাকলে একজন মানুষ হয়তো কিছুক্ষণ বিরতি নিয়ে বলতে পারেন, “এই কথাটা শুনে আমি upset হয়েছি। একটু শান্ত হয়ে তারপর বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চাই।” এখানে আবেগ অস্বীকার করা হয়নি। বরং আবেগটিকে এমনভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ না হয়।

মানসিক সুস্থতায় Emotional Intelligence কীভাবে সাহায্য করে?

১. Stress বুঝতে এবং সামলাতে সাহায্য করে

Stress অনেক সময় হঠাৎ তৈরি হয় না। এর আগে শরীর এবং মনে কিছু সংকেত দেখা দেয়।

যেমন, 

  • মাথা ভার লাগা,
  • অতিরিক্ত চিন্তা করা,
  • সহজে বিরক্ত হওয়া,
  • মনোযোগ কমে যাওয়া,
  • ঘুমের সমস্যা,
  • অথবা সবকিছু থেকে দূরে থাকতে ইচ্ছা করা।

Self-awareness ভালো হলে একজন মানুষ তুলনামূলক আগে বুঝতে পারেন, “আমি সম্ভবত overwhelmed হয়ে যাচ্ছি।” এই awareness তাকে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই বিশ্রাম নেওয়া, কারও সঙ্গে কথা বলা, নিজের workload adjust করা কিংবা প্রয়োজনীয় support নেওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে।

২. রাগকে স্বাস্থ্যকরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে

রাগ কোনো “খারাপ emotion” নয়। অনেক সময় রাগ আমাদের জানায় যে আমাদের কোনো boundary অতিক্রম করা হয়েছে, আমরা অন্যায় অনুভব করছি কিংবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন পূরণ হচ্ছে না।

কিন্তু রাগ প্রকাশের ধরন গুরুত্বপূর্ণ। রাগের মুহূর্তে চিৎকার করা, অপমান করা, জিনিস ভাঙা কিংবা অন্যকে আঘাত করা healthy expression নয়। আবার সব সময় রাগ চেপে রাখাও দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার কারণ হতে পারে।

Emotional Intelligence আমাদের সাহায্য করে রাগের পেছনের message বুঝতে।

যেমন, 

“আমি রাগ করছি কারণ আমার কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনা হয়নি।”

এরপর assertive communication-এর মাধ্যমে বলা যেতে পারে, 

“আমি চাই, আমি কথা বলার সময় আমার কথাটাও শেষ পর্যন্ত শোনা হোক।”

এভাবে emotion-কে conflict তৈরির বদলে communication-এর একটি signal হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

৩. অতিরিক্ত চিন্তার মাঝেও পরিস্থিতিকে পরিষ্কারভাবে দেখতে সাহায্য করে

আমরা অনেক সময় emotion এবং reality-কে এক করে ফেলি।

যেমন, 

“আমি ব্যর্থ মনে করছি” → “আমি একজন ব্যর্থ মানুষ।”

কিন্তু দুটি কথা এক নয়।

প্রথমটি একটি emotion বা perception। দ্বিতীয়টি নিজের সম্পর্কে একটি বড় conclusion।

Emotional awareness তৈরি হলে আমরা অনুভূতির সঙ্গে কিছুটা distance তৈরি করতে শিখতে পারি।

যেমন, 

“এই মুহূর্তে আমি নিজেকে ব্যর্থ মনে করছি, কারণ প্রত্যাশিত ফলাফল পাইনি।” এই ভাষা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একটি কঠিন মুহূর্ত আমাদের পুরো পরিচয় নির্ধারণ করে না।

৪. সম্পর্ককে আরও স্বাস্থ্যকর করতে সাহায্য করে

মানসিক সুস্থতার সঙ্গে আমাদের interpersonal relationship-এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

একটি সম্পর্কের মধ্যে শুধু ভালোবাসা থাকলেই যথেষ্ট নয়। দরকার, 

  • পারস্পরিক শ্রদ্ধা,
  • শোনা,
  • empathy,
  • নিজের emotion প্রকাশ করা,
  • অন্যের boundary বোঝা,
  • এবং disagreement স্বাস্থ্যকরভাবে handle করা।

Emotional Intelligence এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধরুন, আপনার কাছের একজন মানুষ আজ খুব চুপচাপ। কম emotional awareness থাকলে আমরা হয়তো ধরে নিতে পারি,  “সে নিশ্চয়ই আমার ওপর রেগে আছে।”

কিন্তু empathic response হতে পারে,  “তোমাকে আজ একটু quiet লাগছে। কোনো কিছু নিয়ে মন খারাপ হলে বলতে পারো।”

এই ছোট পার্থক্যই অনেক সময় misunderstanding এবং meaningful communication-এর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে।

৫. Empathy বা সহমর্মিতা তৈরি করে

Empathy মানে অন্য মানুষের সব কথা মেনে নেওয়া নয়। বরং তার perspective এবং emotion বোঝার চেষ্টা করা। কেউ কষ্টের কথা বললে আমরা অনেক সময় সঙ্গে সঙ্গে solution দিতে শুরু করি, 

“এত চিন্তা করো না।” “Positive হও।”

“এটা নিয়ে এত ভাবার কী আছে?”

কিন্তু emotionally intelligent response হতে পারে, “বিষয়টা তোমার জন্য অনেক কঠিন যাচ্ছে মনে হচ্ছে।” অনেক সময় মানুষ solution-এর আগে চায়, তার অনুভূতিটা কেউ বুঝুক।

Empathy সেই emotional connection তৈরি করতে সাহায্য করে।

৬. নিজের প্রয়োজন ও Boundary বুঝতে সাহায্য করে

সব সময় অন্যদের সাহায্য করা ভালো গুণ হতে পারে। কিন্তু নিজের capacity-এর বাইরে গিয়ে সবাইকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করলে emotional exhaustion তৈরি হতে পারে।

Emotional Intelligence আমাদের নিজের ভেতরের সংকেতগুলো বুঝতে সাহায্য করে।

যেমন, 

  • “আমি ক্লান্ত।”
  • “এই কথাটি আমার কাছে uncomfortable লাগছে।”
  • “এই মুহূর্তে আমার কিছুটা personal space দরকার।”

এসব emotion এবং need বুঝতে পারলে healthy boundary তৈরি করা সহজ হয়। Boundary মানে কাউকে দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়। Boundary মানে, “আমি অন্যকে সম্মান করব, পাশাপাশি নিজের emotional wellbeing-কেও সম্মান করব।”

৭. Self-Compassion বাড়াতে সাহায্য করতে পারে

আমরা অনেক সময় অন্যের ভুল খুব সহজে ক্ষমা করি, কিন্তু নিজের ভুলের ক্ষেত্রে প্রচণ্ড কঠোর হয়ে যাই। একটি ভুল করলে হয়তো মনে হয়, 

“আমি কিছুই পারি না।”

“আমাকে দিয়ে হবে না।”

“সবাই আমার চেয়ে ভালো।”

Emotional Intelligence আমাদের এই self-critical thought লক্ষ্য করার সুযোগ দেয়।

তারপর নিজেকে প্রশ্ন করা যায়, 

“আমার কোনো প্রিয় মানুষ একই ভুল করলে আমি তাকে কী বলতাম?”

সম্ভবত বলতাম, 

“ভুল হয়েছে। এখান থেকে শেখা যায়।”

নিজের প্রতিও একই ধরনের compassion তৈরি করা emotional wellbeing-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

Emotional Intelligence মানে কি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে রাখা?

না। এখানেই Emotional Intelligence সম্পর্কে একটি বড় ভুল ধারণা রয়েছে।

Emotional Intelligence মানে, 

রাগ করবেন না, কান্না করবেন না, মন খারাপ করবেন না, এমন নয়।

বরং এর অর্থ হলো, 

Emotion অনুভব করা → Emotion চিনতে পারা → Emotion-এর message বোঝা → উপযুক্তভাবে প্রকাশ করা।

কখনো কাঁদা প্রয়োজন হতে পারে। কখনো রাগ প্রকাশ করা প্রয়োজন। কখনো “না” বলা প্রয়োজন। আবার কখনো কোনো পরিস্থিতি থেকে কিছুক্ষণের জন্য দূরে যাওয়াও দরকার হতে পারে।

মূল বিষয় হলো, আবেগ যেন আমাদের behavior-এর একমাত্র driver না হয়ে যায়।

কর্মক্ষেত্রে Emotional Intelligence কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অফিসে শুধুমাত্র technical skill দিয়ে সব পরিস্থিতি সামলানো যায় না। প্রতিদিনই আমাদের মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয়।

Deadline, performance pressure, criticism, disagreement, teamwork কিংবা leadership, সব ক্ষেত্রেই Emotional Intelligence গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে, একজন manager যদি কোনো employee-এর mistake দেখেই অপমান করেন, তাহলে কর্মীর মধ্যে fear এবং resentment তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে একজন emotionally intelligent manager হয়তো বলবেন, 

“এখানে একটি ভুল হয়েছে। চলুন দেখি কীভাবে এটি ঠিক করা যায় এবং ভবিষ্যতে যেন আবার না হয়।”

একই সমস্যা, কিন্তু communication-এর ধরন সম্পূর্ণ আলাদা।

Emotional Intelligence workplace-এ constructive feedback, conflict management, teamwork এবং leadership skill উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে।

সম্পর্কে Emotional Intelligence কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

একটি relationship-এ অনেক conflict আসলে ঘটনার কারণে নয়; বরং emotion কীভাবে communicate করা হচ্ছে, সেটির কারণে বড় হয়ে যায়।

একজন বললেন, 

“তুমি আমাকে কখনো সময় দাও না!”

অন্যজন সঙ্গে সঙ্গে defensive হয়ে গেলেন, 

“আমি এত কিছু করি, তারপরও তোমার অভিযোগ শেষ হয় না!”

কথোপকথন দ্রুত তর্কে পরিণত হলো।

কিন্তু প্রথম ব্যক্তি যদি নিজের emotion এবং need বুঝে বলতে পারেন, 

“আমরা কিছুদিন ধরে একসঙ্গে সময় পাচ্ছি না। এতে আমি একটু disconnected অনুভব করছি। আমরা কি এই সপ্তাহে কিছু সময় শুধু আমাদের জন্য রাখতে পারি?”

তাহলে একই সমস্যার আলোচনা অনেক বেশি constructive হতে পারে। এই ability-র পেছনেও রয়েছে Emotional Intelligence।

কীভাবে নিজের Emotional Intelligence বাড়াতে পারেন?

Emotional Intelligence কোনো fixed characteristic নয়। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে নিজের emotional awareness এবং regulation skill ধীরে ধীরে উন্নত করা সম্ভব।

Emotion-এর নাম দিন

“খারাপ লাগছে” বলার পরিবর্তে emotion নির্দিষ্ট করার চেষ্টা করুন।

আমি কি, 

রেগে আছি?
হতাশ?
ভীত?
অপমানিত?
একাকী?
অপরাধবোধে ভুগছি?
নাকি overwhelmed?

Emotion যত নির্দিষ্টভাবে বুঝতে পারবেন, সেটি নিয়ে কাজ করা তত সহজ হবে। React করার আগে কিছুটা সময় নিন রাগ বা frustration-এর মুহূর্তে সব কথা সঙ্গে সঙ্গে বলতে হবে এমন নয়।

একটু বিরতি নিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করতে পারেন, 

“আমি এখন যা বলতে যাচ্ছি, পরে কি সেটি নিয়ে regret হতে পারে?”

নিজের Trigger চিনুন

কোন পরিস্থিতিতে আপনি খুব দ্রুত emotional হয়ে পড়েন?

Criticism?
Rejection?
Ignored হওয়া?
Comparison?
Uncertainty?

Trigger চিনতে পারলে নিজের response-এর জন্য আগে থেকেই কিছুটা প্রস্তুত থাকা সম্ভব।

Active Listening অনুশীলন করুন

অন্য কেউ কথা বলার সময় উত্তর দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার বদলে তার কথাটি সত্যিই বোঝার চেষ্টা করুন।

প্রয়োজনে বলতে পারেন, 

“আমি ঠিক বুঝেছি কিনা দেখি, তুমি বলতে চাচ্ছো যে…”

এতে misunderstanding কমতে পারে।

নিজের Emotion লিখে রাখুন

প্রতিদিন কয়েক মিনিট emotional journal রাখতে পারেন।

লিখুন, 

কী ঘটেছিল?
আমি কী অনুভব করেছি?
আমি কী ভেবেছিলাম?
আমি কীভাবে react করেছি?
পরেরবার কীভাবে respond করতে চাই?

কয়েক সপ্তাহ পরে নিজের emotional pattern সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ insight পাওয়া যেতে পারে।

Emotional Intelligence ভালো হলেই কি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা থাকবে না?

না। Emotional Intelligence মানসিক সুস্থতার জন্য একটি সহায়ক দক্ষতা, কিন্তু এটি depression, anxiety disorder, trauma কিংবা অন্যান্য mental health condition থেকে শতভাগ সুরক্ষা দেয় না। একজন emotionally intelligent মানুষও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে পারেন। তাই Emotional Intelligence-কে mental health treatment-এর বিকল্প হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

বরং এটি এমন একটি skill set, যা নিজের emotion বোঝা, coping strategy ব্যবহার করা, relationship manage করা এবং সময়মতো support চাওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।

কখন একজন Mental Health Professional-এর সাহায্য নেওয়া দরকার?

নিজের emotion নিজে manage করার চেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ। তবে সব পরিস্থিতি একা সামলাতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই।

যদি দীর্ঘ সময় ধরে,  মন খারাপ থাকে, অতিরিক্ত anxiety বা fear অনুভূত হয়, কোনো কিছুতেই আনন্দ পাওয়া না যায়, ঘুম বা খাওয়ার অভ্যাস উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়, কাজ বা পড়াশোনায় সমস্যা তৈরি হয়, সম্পর্কগুলো বারবার emotion-এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অথবা নিজের emotion বুঝতে এবং manage করতে খুব বেশি কষ্ট হয়, 

তাহলে মনোবিজ্ঞানী, কাউন্সেলর বা উপযুক্ত মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর সঙ্গে কথা বলা সহায়ক হতে পারে।

Counselling-এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নিজের emotion, thought pattern, trigger, coping style এবং relationship pattern আরও ভালোভাবে বুঝতে পারেন। একই সঙ্গে emotion regulation এবং healthy communication-এর বিভিন্ন skill শেখার সুযোগও তৈরি হয়।এখনই রিল্যাক্সি অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং সেশন বুক করুন এই লিংক থেকে।

রিল্যাক্সি অ্যাপ ডাউনলোড করুন

কাউন্সেলিং সেশন বুক করুন 

মানসিক সুস্থতা মানে সব সময় ভালো থাকা নয়। জীবনে দুঃখ থাকবে, রাগ থাকবে, ব্যর্থতা থাকবে, uncertainty থাকবে। Emotional Intelligence আমাদের এসব emotion মুছে ফেলতে শেখায় না।

বরং শেখায়, 

“আমি যা অনুভব করছি, সেটাকে বুঝতে পারি। Emotion-কে জায়গা দিতে পারি। এবং তারপর নিজের ও অন্যের প্রতি সম্মান রেখে কীভাবে respond করব, সেটি বেছে নিতে পারি।”

নিজের emotion বুঝতে শেখা মানে নিজের সঙ্গে আরও গভীর একটি সম্পর্ক তৈরি করা। আর নিজের সঙ্গে সেই সম্পর্ক যত স্বাস্থ্যকর হয়, অন্য মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক এবং নিজের মানসিক সুস্থতার যত্ন নেওয়াও তত সহজ হতে পারে।

হয়তো Emotional Intelligence চর্চার প্রথম প্রশ্নটি খুবই ছোট, 

“এই মুহূর্তে আমি আসলে কী অনুভব করছি?”

কিন্তু এই ছোট প্রশ্ন থেকেই শুরু হতে পারে নিজের মনকে আরও ভালোভাবে জানার দীর্ঘ যাত্রা।

Did you find this article helpful?

Saima Islam

Saima Islam

Assistant Clinical Psychologist

Rating4.95
2+ years experience

Warm and empathetic psychologist specializing in CBT and DBT for depression, anxiety, trauma, and relationship challenges

Book a Session
Relaxy SupportOnline
Relaxy Support

Hello! 👋 How can we help you today?

15:41