আপনার বাবা-মা বা প্রবীণ কোনো সদস্য কি দিন দিন চুপচাপ হয়ে যাচ্ছেন?
Elderly mental health issues such as depression, anxiety, loneliness, dementia, grief: a detailed discussion on their symptoms, impact and management

Saima Islam
Assistant Clinical Psychologist

Key Takeaways
প্রবীণ বয়সে চুপচাপ হয়ে যাওয়া, আগ্রহ হারানো, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, ভুলে যাওয়া বা একাকী হয়ে পড়া সবসময় বয়সের স্বাভাবিক পরিবর্তন নয়; এগুলো মানসিক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। বিষণ্নতা, উদ্বেগ, ডিমেনশিয়া, শোক এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা প্রবীণদের মানসিক স্বাস্থ্যে বড় প্রভাব ফেলে। সময়মতো এই লক্ষণগুলো চিহ্নিত করে কাউন্সেলিং, পারিবারিক সহায়তা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করা খুব জরুরি। সহানুভূতি, যত্ন এবং পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে প্রবীণদের মানসিক সুস্থতা অনেকটাই উন্নত করা সম্ভব।
আপনার বাবা-মা বা প্রবীণ কোনো সদস্য কি দিন দিন চুপচাপ হয়ে যাচ্ছেন?এটা বয়সের স্বাভাবিক পরিবর্তন নয়, হতে পারে মানসিক সমস্যার ইঙ্গিত
জীবনের প্রতিটি সময়ই গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বার্ধক্য বা বৃদ্ধ বয়সটা অনেক বেশি সংবেদনশীল একটা সময়। বর্তমানে জন্মহার বৃদ্ধি ও মৃত্যুহার কমে যাওয়ায় সারা বিশ্বেই বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। এই বয়সে শুধু শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে না, মানসিক দিক থেকেও নানা সমস্যায় ভোগেন প্রবীণরা। পরিবার সাধারণত প্রবীণদের শারীরিক অসুস্থতার দিকে যতটা খেয়াল রাখে, মানসিক ও আবেগগত চাহিদাগুলোর দিকে সেভাবে মনোযোগ দেয় না। ফলে অনেক প্রবীণ মানসিকভাবে আরও বেশি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। তাই এই বয়সে শুধু শারীরিক পরিচর্যাই নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়াও খুব জরুরি।
কেন প্রবীণদের মানসিক স্বাস্থ্যে গুরুত্ব দেওয়া জরুরী?
অনেকেই জানেন না, প্রবীণ বয়সে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা বেশ স্বাভাবিক ও সাধারণ ব্যাপার। গবেষণায় দেখা গেছে, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের প্রায় ৭% বিষণ্নতায় (ডিপ্রেশনে) ভুগেন। আর উদ্বেগজনিত মানসিক সমস্যা বা টেনশন এই বয়সের প্রায় ১৫% মানুষকে প্রভাবিত করে। যদিও এই সংখ্যাগুলো খুব বড় মনে নাও হতে পারে, বাস্তবে অনেক প্রবীণ মানুষ নীরবে কষ্ট সহ্য করে যান। তাদের সমস্যাগুলো অনেক সময় ‘এই বয়সে এমন হবেই’ বলে অবহেলা করা হয়, অথবা শুধু শরীরের রোগের পেছনে লুকিয়ে থাকে মানসিক সমস্যাগুলো।
এছাড়া আমাদের দেশের বা আগের সময়কার প্রবীণরা মানসিক স্বাস্থ্য বা চিকিৎসা নিয়ে খোলামেলা কথা বলতেন না। তখন মানসিক চিকিৎসা নেওয়াকে দুর্বলতা বা লজ্জার ব্যাপার হিসেবে ভাবা হতো। এই ধরনের ভুল ধারণার কারণে এখনও অনেক প্রবীণ মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় মানসিক সাহায্য পান না। এতে করে তাদের সমস্যা আরও বাড়ে, তারা আরও একাকী হয়ে পড়েন এবং জীবনের মান অনেকখানি কমে যায়।
প্রবীণদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার প্রকারভেদ
বৃদ্ধ বয়সে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হলে কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা যায় যেমন:
১. বিষণ্নতা ও দীর্ঘস্থায়ী মন খারাপ:
বয়স বাড়ার সাথে বিষণ্নতা বা মানসিকভাবে ভেঙে পড়া অনেকটা ভিন্নভাবে দেখা দেয়। তরুণদের বিষণ্নতায় যেভাবে খারাপ অনুভূতি প্রকাশ পায়, প্রবীণদের মধ্যে সেটা অনেক সময় ধীরে ধীরে বা বোঝা কঠিনভাবে আসে। অবসর গ্রহণ, কাছের মানুষকে হারানো বা শরীর খারাপ হওয়ার মতো বড় পরিবর্তনের কারণে তাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে দুঃখবোধ, আগের ভালো লাগা কাজগুলোতে আগ্রহ হারানো ও ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশা তৈরি হয়।
অনেক সময় এই বিষণ্নতার লক্ষণগুলো স্পষ্ট বোঝা যায় না, কারণ প্রবীণরা তা প্রকাশ করতে চান না বা বুঝতে পারেন না, তাই অনেক সময় এই সমস্যাগুলো ধরা পড়তে দেরি হয়। যে লক্ষণ গুলোর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি তারা বিষন্নতায় আছেন তা হলো:
সবকিছুতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা (যা আগে ভালো লাগতো, সেগুলোতেও আর উৎসাহ নেই)
সারাক্ষণ মন খারাপ, দুঃখবোধ বা কান্না করা
ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশা বা নিরাশা অনুভব করা
নিজের প্রতি অবহেলা করা (খাওয়া-দাওয়া, গোসল, নিজের যত্নে অনীহা)
ঘুমের সমস্যা (অতিরিক্ত ঘুমানো বা ঘুম না হওয়া)
অল্পতেই রাগ, বিরক্তি বা হতাশা
শরীরের নানা ব্যথা-বেদনা বা অসুস্থতা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা
২. উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা:
প্রবীণরা সাধারণত স্বাস্থ্য, টাকা-পয়সা, অথবা পরিবারে বোঝা হয়ে যাওয়ার ভয় নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় থাকেন। এই চিন্তা মাথায় ঘুরতে ঘুরতে তারা দুর্বল হয়ে পড়েন। ঘুমের ব্যাঘাত, ক্ষুধা কমে যাওয়া, দৈনন্দিন কাজে অনীহা দেখা দেয়।
এ ছাড়া বয়স বাড়ার সাথে সাথে বন্ধু-বান্ধব বা সমাজের সঙ্গে যোগাযোগ কমে যাওয়ায় সামাজিক উদ্বেগও বাড়তে পারে। ফলে তারা আরও একাকী হয়ে পড়েন।
উদ্বেগ বা টেনশনজনিত লক্ষণগুলো হলো:
সবকিছু নিয়ে অকারণে দুশ্চিন্তা করা
ছোট-খাটো বিষয়েও ভয় বা শঙ্কা করা
বারবার একই কথা বা প্রশ্ন বলা (ভবিষ্যৎ বা নিরাপত্তা নিয়ে)
দেহের উপর প্রভাব (হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, হাত-পা কাঁপা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি)
৩. স্মৃতি ও চিন্তা নিয়ে ভয় বা সমস্যা (ডিমেনশিয়া):
অনেক প্রবীণ সবসময় ভয় পান যে তাদের স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যাবে বা তারা ভুলে যাবেন। ডিমেনশিয়ার মতো রোগে শুধু স্মৃতি নয়, মন-মেজাজ, আচরণ অনেকভাবে বদলে যায়। এমনকি যাদের ডিমেনশিয়া নেই, তারাও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুলে যাওয়ার সাধারণ প্রবণতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন, এতে তাদের মানসিক চাপ আরও বাড়ে।
ডিমেনশিয়া, আলঝেইমার এর লক্ষন গুলো হলো:
কথা বা ঘটনা ভুলে যাওয়া
পরিচিত জায়গায় বা বাড়ির মধ্যেও পথ হারিয়ে ফেলা
এক কথায় আটকে থাকা বা কথা বলায় জড়তা
অপ্রাসঙ্গিক বা আজব কথা বলা
নিজেকে বা অন্যকে চিনতে ভুল করা
৪. শোক ও ক্ষতির মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব:
বৃদ্ধ বয়সে একের পর এক প্রিয়জন হারানো (স্বামী-স্ত্রী, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়) প্রবীণদের ভেতরে গভীর শোক তৈরি করে। একই সঙ্গে তারা স্বাধীনতা, শারীরিক সক্ষমতা ও তাদের সামাজিক ভূমিকা হারানোর ব্যথা বয়ে বেড়ান। এতো ক্ষতির বোঝা অনেক সময় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে, ফলে দীর্ঘ সময় ধরে শোকগ্রস্ত থাকেন এবং পেশাদার মানসিক সহায়তা ছাড়া সহজে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হয়ে যায়।
৫. একাকীত্ব ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া:
বৃদ্ধ বয়সে সবচেয়ে বড় মানসিক সমস্যা হতে পারে একাকীত্ব। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে প্রিয়জনের মৃত্যু, শরীর খারাপ বা চলাফেরার সীমাবদ্ধতার জন্য সামাজিক যোগাযোগ কমে যায়। অনেক প্রবীণ নিজেকে ধীরে ধীরে একা মনে করেন। এই একাকীত্ব বিষণ্নতা, স্মৃতির সমস্যা এমনকি শারীরিক অসুস্থতা পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে।
এই একাকীত্ব থেকে বের হওয়া সহজ নয়, কারণ একা থাকার কারণে মানসিক অবস্থাও ধীরে ধীরে আরও খারাপ হয়ে যায়।
৬. আচরণগত পরিবর্তন:
এই বয়সে আচরণগত নানা পরিবর্তন দেখা যায় যেমন:
হঠাৎ খুব চুপচাপ হয়ে যাওয়া বা সমাজ থেকে দূরে সরে যাওয়া
সন্দেহ প্রবণ হয়ে পড়া (ভেবে নেওয়া কেউ টাকা চুরি করছে বা তাকে অপমান করছে)
কারও সাহায্য নিতে না চাওয়া বা বিরক্তি প্রকাশ করা
অপ্রাসঙ্গিক রাগ, অশান্ত আচরণ বা অতিরিক্ত মুড বদল
প্রবীণদের মানসিক স্বাস্থ্যে করনীয়
১. সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিং
একজন সাইকোলজিস্ট প্রথমেই বয়সের কারণে যেসব মানসিক সমস্যা হচ্ছে তা ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে বিষণ্নতা, দুশ্চিন্তা, একাকীত্ব, ভুলে যাওয়া বা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া এসব বিষয় থাকে। প্রয়োজনে কিছু ছোট ছোট প্রশ্ন করা হয় বা কিছু টেস্ট করা হয় যাতে বোঝা যায় প্রবীণ ব্যক্তির মানসিক অবস্থাটা আসলে কেমন। পাশাপাশি শারীরিক অসুস্থতা থাকলে সেটার কারণে মানসিক অবস্থার কোনো প্রভাব পড়ছে কিনা, সেটাও দেখা হয়।এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন কাউন্সেলিং বা থেরাপি ব্যবহার করা হয়, যেমন কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (CBT) যা নেগেটিভ চিন্তা ও আচরণ পরিবর্তনে সহায়ক অথবা সমর্থনমূলক কাউন্সেলিং (Supportive Therapy) যা একাকীত্ব ও মানসিক চাপ কমাতে কথোপকথনের মাধ্যমে সাহায্য করে।
২. পরিবারের ভূমিকা
বৃদ্ধ বয়সে মানসিক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে পরিবারের সদস্যরা। কারণ, পরিবারের মানুষরাই সবচেয়ে কাছ থেকে একজন বয়স্ক ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবন দেখেন, তাদের আচরণে বা মনের পরিবর্তন খেয়াল করতে পারেন। অনেক সময় প্রবীণ ব্যক্তিরা নিজের মানসিক কষ্ট বা সমস্যার কথা নিজেই প্রকাশ করেন না বা বুঝিয়ে বলতে পারেন না। ঠিক তখনই পরিবারের সদস্যদের সচেতন হতে হয়।
যদি দেখা যায় তিনি আগের মতো আর আনন্দ পান না, সব সময় চুপচাপ থাকেন, কারও সঙ্গে মিশতে চান না, খাওয়া-দাওয়া কমে গেছে বা বারবার একই কথা ভুলে যাচ্ছেন এগুলো হতে পারে মানসিক সমস্যার লক্ষণ। পরিবারের দায়িত্ব হলো এসব বিষয়কে অবহেলা না করে সময়মতো মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাওয়া বা প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়া। সময়মতো সঠিক যত্ন পেলে প্রবীণদের মানসিক অবস্থার অনেক উন্নতি হয়।
৩. বয়স নিয়ে ভুল ধারণা থেকে বের হয়ে আসা
অনেক সময় মানুষ ভাবে, “বয়স বাড়লে এমনিই বিষণ্ন লাগে, একা লাগে, এটা স্বাভাবিক।” এই ধারণা ভুল। বার্ধক্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাগুলোও একেবারে অন্য বয়সের মতোই চিকিৎসাযোগ্য। বিষণ্নতা, দুশ্চিন্তা বা একাকীত্ব বয়সের জন্য অনিবার্য নয়, বরং এগুলোও ঠিকঠাক চিকিৎসা, ভালোবাসা ও যত্নের মাধ্যমে কাটিয়ে ওঠা যায়।
এ জন্য পরিবার ও সমাজকে বয়স সম্পর্কে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। প্রবীণদের মানসিক সমস্যাকে অবহেলা করে বললে, “এই বয়সে এমন হতেই পারে” তাহলে সমস্যা কখনোই ঠিকভাবে সমাধান হবে না।
৪. স্বাস্থ্যসেবায় পরিবর্তন দরকার
যারা প্রবীণদের নিয়ে কাজ করেন, যেমন- ডাক্তার, নার্স, সোস্যাল ওয়ার্কার, তাদের এই বয়সের মানসিক সমস্যা চেনা, ওষুধ বা শারীরিক অসুস্থতার প্রভাব বোঝা, এবং কিভাবে কেয়ার দিতে হয় তা জানতে হবে।
৫. সমাজের করণীয়
সমাজকে বয়স্ক-বান্ধব করতে হবে। অর্থাৎ প্রবীণরা যেন সহজে চলাফেরা করতে পারে, নিরাপদ পরিবেশ পায়, বন্ধু বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারে, এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। প্রজন্মের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে।প্রতিবেশী বা বন্ধুদের সঙ্গে যেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়, সেজন্য তাদের সামাজিক সম্পৃক্ততা বাড়ানো দরকার। স্থানীয় ক্লাব, সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় সংগঠন, প্রবীণদের জন্য উপযোগী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলে তারা মানসিকভাবে অনেক বেশি সুস্থ থাকেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রবীণ ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে দূরত্ব কমানো। শিশু, তরুণ ও প্রবীণদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ালে একে অপরের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও সহানুভূতি তৈরি হয়। এতে প্রবীণরা একাকী বা অবহেলিত বোধ করেন না।
অনেকেই মনে করেন বার্ধক্যে বিষণ্নতা, একাকীত্ব কিংবা মানসিক দুর্বলতা খুব স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু বার্ধক্যের মানসিক সমস্যাগুলোও ঠিক অন্য বয়সের মতোই চিকিৎসাযোগ্য এবং প্রতিরোধযোগ্য। সময়মতো সহানুভূতি, ভালোবাসা, উপযুক্ত চিকিৎসা ও সামাজিক সম্পৃক্ততা থাকলে প্রবীণদের মানসিক স্বাস্থ্য অনেক ভালো রাখা সম্ভব।পরিবার, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী, সমাজ সবাইকে মিলেই প্রবীণদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।
বৃদ্ধ বয়সে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা অনেক সময় গভীর ও জটিল হয়, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে। শারীরিক অসুস্থতা, একাকীত্ব, এবং জীবন পরিবর্তনের কারণে অনেক বয়স্ক ব্যক্তি মানসিক চাপ ও হতাশার সম্মুখীন হন। যদি আপনি বা আপনার পরিবারের কোনো প্রবীণ সদস্য মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমস্যায় থাকেন, তাহলে দেরি না করে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন। অভিজ্ঞ থেরাপিস্টরা প্রবীণদের জন্য বিশেষ কৌশল ও পরামর্শ দিয়ে মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করেন, যাতে তারা শান্তি ও সুস্থতা ফিরে পেতে পারেন।
Relaxy-তে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের গাইডলাইনে প্রবীণদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সেবা নিন
সঠিক চিকিৎসা ও সহায়তার মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করা সম্ভব। তাই নিজে বা আপনার কাছের প্রবীণ ব্যক্তির জন্য সময় দিন, যত্ন নিন এবং প্রয়োজন হলে পেশাদার সাহায্য নিন।
Did you find this article helpful?

Saima Islam
Assistant Clinical Psychologist
Warm and empathetic psychologist specializing in CBT and DBT for depression, anxiety, trauma, and relationship challenges